শামীমা নাসরিন নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার থেকে ইভ্যালিতে নতুন পর্ষদ

digitalsomoy

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিতে আসছে পাঁচ সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদ। হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মতে পদত্যাগী পর্ষদ বৃহস্পতিবার নতুন পর্ষদের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইক্যাব সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ইভ্যালির সাবেক চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নেতৃত্বে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির নতুন পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব নিচ্ছেন মোট পাঁচজন। বাকি চারজন হলেন শামীমা নাসরিনের মা ফরিদা আক্তার, বোনের স্বামী মামুনুর রশীদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী কামরুন নাহার ও ই–কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) সহসভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন। 

এদিকে ইভ্যালির জন্য ১১ মাস আগে উচ্চ আদালতের গঠন করে দেওয়া ৫ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গত সোমবার পদত্যাগ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ছিলেন ওই পর্ষদের প্রধান। পর্ষদে অন্যদের মধ্যে ছিলেন সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদ ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

পদত্যাগী পর্ষদ বৃহস্পতিবার নতুন পর্ষদের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবে বলে জানা গেছে। এ সিদ্ধান্তও এসেছে হাইকোর্ট থেকেই।

গত ২৪ আগস্ট বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় পর্ষদ সভায় শামীমা নাসরিন, তাঁর মা ও ভগ্নিপতিকে ইভ্যালি পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছেন। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এফিডেভিট আকারে তা হাইকোর্টকে জানাতেও বলা হয়েছে আদেশে।

জানা গেছে, আদালতের আদেশ অনুযায়ী এরই মধ্যে ইভ্যালির ওপর একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিদায়ী পর্ষদ। 

ইভ্যালির মালিকানা ছিল এর চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলের নামে। দুজনের প্রত্যেকেই প্রতিষ্ঠানটির ৫০ শতাংশ শেয়ারের মালিক। মোহাম্মদ রাসেল গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন। শামীমা নাসরিনও কারাগারে ছিলেন। তিনি জামিনে বের হয়েছেন গত ৬ এপ্রিল। এই ফাঁকে শামীমা নাসরিন তাঁর শেয়ারের একটা অংশ মা ও ভগ্নিপতিকে দিয়েছেন।