গাজার পর যেখানে হামলা শুরু করতে পারে ইসরাইল

digitalsomoy

সিরিয়ায় অস্ত্রের গুদাম, সরবরাহ রুট ও ইরান-সংশ্লিষ্ট কমান্ডারদের বিরুদ্ধে গোপন হামলা জোরদার করেছে ইসরাইল। ইরানের প্রধান মিত্র লেবাননের হিজবুল্লাহর ওপর সর্বাত্মক হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই হামলা শুরু করেছে দখলদাররা। 

সাত আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিকের বরাতে রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

সূত্রগুলোর মধ্যে তিন জন জানিয়েছেন, আলেপ্পোর কাছে একটি গোপন ও সুরক্ষিত অস্ত্রের গুদামকে লক্ষ্য করে ২ জুন বিমান হামলা হয়। ওই হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) এক উপদেষ্টাসহ ১৮ জন নিহত হন। 

আর চারটি সূত্র জানায়, মে মাসে লেবাননের উদ্দেশে রওনা হওয়া ট্রাকের একটি বহরকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। ওই গাড়িবহরে ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ছিল। আরও একটি অভিযানে হিজবুল্লাহর কয়েকজন কর্মী নিহত হন।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি থিঙ্কট্যাঙ্কের একটি সমীক্ষা অনুসারে, ৭ অক্টোবরের হামলার আগের দুই বছরে সিরিয়ায় কয়েক ডজন বিপ্লবী গার্ড ও হিজবুল্লাহ অফিসারকে হত্যা করেছে ইসরাইল।

ইসরাইলের সিরিয়া অভিযান নিয়ে তিন সিরীয় কর্মকর্তা, এক ইসরাইলি সরকারি কর্মকর্তা এবং তিন পশ্চিমা কূটনীতিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে রয়টার্স। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্পর্শকাতর এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়েছেন তারা।

২ জুনের হামলাসহ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আলেপ্পো ও হোমস শহরের চারপাশে ঘটে যাওয়া ইসরাইলি হামলার লক্ষ্যবস্তু নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন সিরীয় কর্মকর্তারা।

সাক্ষাৎকার দেওয়া সেসব কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরাইলের নেওয়া পদক্ষেপগুলো হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার ইঙ্গিত ‍দিচ্ছে। গাজায় অভিযান বন্ধ করার পরই সম্ভাব্য সেই হামলা শুরু করতে পারে ইসরাইল।